ডিজিটাল মার্কেটিং কি | ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করব (Digital Marketing Bangla)

ডিজিটাল মার্কেটিং কি : প্রিয় পাঠক, আমার এই ওয়েবসাইটে আমি টেকনোলজি রিলেটেড বিভিন্ন আর্টিকেল পাবলিশ করি।

আর সেই ধারাবাহিকতা রক্ষার করার জন্য আজকের এই গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেলের মাধ্যমে আমি আপনাকে (digital marketing ki) ডিজিটাল মার্কেটিং কি সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দেয়ার চেষ্টা করব।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি | ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করব (Digital Marketing Bangla)
ডিজিটাল মার্কেটিং মানে কি

মূলত বর্তমান সময়ে আমরা অধিকাংশ মানুষ অনলাইন এর বিভিন্ন রকমের প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে থাকি। তো এই প্লাটফর্ম গুলো কে কাজে লাগিয়ে যখন আপনি আপনার প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন প্রচার করবেন।

মূলত সেই বিজ্ঞাপন প্রচার করার প্রক্রিয়া কে বলা হয়ে থাকে, ডিজিটাল মার্কেটিং।

তবে ডিজিটাল মার্কেটিং কি (What is digital marketing in Bengali) আসলে এই বিষয়টি কে এরকম ছোট্ট একটা সংজ্ঞা এর মাধ্যমে বুঝিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।

বরং আপনি যদি জানতে চান যে, ডিজিটাল মার্কেটিং কি। তাহলে এ নিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং A to z বিশদ ভাবে আলোচনা করতে হবে।

আর জানতে পারবেন ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করব এই বিষয়ে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেওয়ার জন্যই মূলত আজকের এই আর্টিকেল টি লেখা হয়েছে।

আর আপনি যদি এই ডিজিটাল মার্কেটিং কি (Digital marketing কি) এনং ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রধান স্তম্ভ কয়টি। সে সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানতে চান।

আপনি আরোও পড়ুন…

তাহলে চেষ্টা করবেন তাহলে পুরো আর্টিকেল টি মনোযোগ দিয়ে পড়ার। আর দেরি না করে চলুন সরাসরি মূল আলোচনা তে ফিরে যাওয়া যাক।

Table of Contents

ডিজিটাল মার্কেটিং কি (What is digital marketing in Bengali)

দেখুন যখন আপনার কোন একটি কোম্পানি থাকবে। কিংবা আপনার নিজস্ব কোন প্রোডাক্ট থাকবে। তখন আপনার সেই কোম্পানি অথবা প্রোডাক্ট সম্পর্কে মানুষ কে জানিয়ে দিতে হবে।

আর যখন মানুষ আপনার এই কোম্পানি অথবা প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে পারবে। তখন মানুষ আপনার প্রোডাক্ট গুলো কিনতে চাইবে।

এখন আপনি এই প্রোডাক্ট এর প্রচার করার জন্য বিভিন্ন রকমের মাধ্যম খুঁজে পাবেন। যেমন আপনি চাইলে টিভিতে আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কিত বিজ্ঞাপন দেখিয়ে প্রচার করতে পারবেন।

তবে শুধুমাত্র টিভি নয় বরং আপনি আরো বিভিন্ন রকম মাধ্যমে আপনার কোম্পানি অথবা প্রোডাক্ট এর প্রচার করতে পারবেন।

কিন্তু যখন আপনি ডিজিটাল পদ্ধতি তে অনলাইন এর মাধ্যমে এই প্রচার পদ্ধতি সম্পন্ন করবেন। তখন সেই অনলাইন এর মাধ্যমে প্রচার করার পুরো প্রক্রিয়া কে বলা হবে, ডিজিটাল মার্কেটিং।

হয়তোবা উপরের এই আলোচনা থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং কি,  Digital marketing examples সে সম্পর্কে আপনি পরিষ্কার ধারণা নাও পেতে পারেন।

তাই চলুন বিষয়টি কে আরও একটু উদাহরণ এবং Digital marketing introduction দিয়ে বুঝিয়ে বলা যাক। যাতে করে আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং কি সে সম্পর্কে কোন প্রকার সন্দেহের অবকাশ না থাকে।

মনে করুন, আপনার একটি কাপড়ের ব্যবসা আছে। এখন আপনি চাচ্ছেন আপনার দোকানে থাকা সেই কাপড় গুলো। আশেপাশের মানুষের কাছে বিক্রি করার পাশাপাশি অনলাইন এর মাধ্যমে বিক্রি করতে চান।

সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনাকে আপনার কাপড় সম্পর্কিত গুণাগুণ এবং এই কাপড় গুলোর দাম কি রকম হবে। সে সম্পর্কে অনলাইন এর মাধ্যমে প্রচার করে মানুষ কে জানিয়ে দিতে হবে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, এই কাজটি করার জন্য আপনি বেছে নিলেন ফেসবুক নামক বিশ্বের জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া কে।

আর সেজন্য আপনি একটি ফেসবুক পেজ খুলেন। এবং সেই পেজে আপনার কাপড়ের বিজ্ঞাপন প্রচার করলেন। এতে করে মানুষ আপনার কাপড় সম্পর্কে জানতে পারলো।

এবং যদি তাদের কাছে আপনার কাপড় ভালো লাগে। তাহলে তারা সেই কাপড় কিনতে আগ্রহী হলো। মূলত এই প্রক্রিয়া কে বলা হয়ে থাকে, ডিজিটাল মার্কেটিং।

ডিজিটাল মার্কেটিং কেন করব ?

উপরের বিস্তারিত আলোচনা থেকে ডিজিটাল মার্কেটিং কি সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নেয়ার পর। এবার আপনাকে একটি বিষয়ে সম্পর্কে জানতে হবে।

আর সেই বিষয় টি হলো যে, কেন আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং করা উচিত। অর্থাৎ আপনি চাইলে তো অফলাইন এর মাধ্যমেও বিভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করে।

আপনার প্রোডাক্ট এর প্রচার করতে পারবেন। তাহলে সেই সব মাধ্যম গুলো কে বাদ দিয়ে আপনি কেন ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন।

দেখুন সহজ কথায় বলতে গেলে ডিজিটাল মার্কেটিং করার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো। যেসব মানুষ অনলাইনে একটিভ থাকে। সেই মানুষ গুলোর মধ্যে আপনার কোম্পানি অথবা প্রোডাক্ট এর পরিচিতি বৃদ্ধি করা।

যেমন ধরুন আমি অধিকাংশ সময় ফেসবুক ব্যবহার করি। এখন আপনি যদি ফেসবুকে কোন প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন প্রচার করেন। তাহলে আমি আপনার সেই বিজ্ঞাপন টি দেখতে পারবো।

এবং আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে পারবো।

এর পাশাপাশি সময় যত অতিবাহিত হচ্ছে, আমরা ঠিক ততটাই ইন্টারনেট এর উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছি। একটা বিষয়ে চিন্তা করে দেখুন, আপনি সকাল থেকে এখন পর্যন্ত কতবার অনলাইনে একটিভ ছিলেন।

ঠিক আপনার মত এমন বিলিয়ন বিলিয়ন মানুষ রয়েছেন। যারা মূলত ঘন্টার পর ঘন্টা অনলাইনে বিভিন্ন প্লাটফর্মে একটিভ থাকে।

আর আপনার মূল লক্ষ্য যেহেতু প্রোডাক্ট সম্পর্কে মানুষের কাছে পরিচিতি বৃদ্ধি করা। সেহেতু বর্তমান সময়ে অনলাইনে ডিজিটাল মার্কেটিং করাই হবে উত্তম একটি কাজ।

কারণ বর্তমান সময়ে আপনি অনলাইনে অধিক পরিমাণে একটিভ ইউজার পাবেন। আর এই ইউজার গুলো কে কাজে লাগিয়ে আপনি আপনার প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারবেন।

মূলত এইসব বিষয় গুলোর উপর বিবেচনা করলে। আপনি বুঝতে পারবেন যে কেন আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং করা উচিত।

ট্রাডিশনাল মার্কেটিং ও ডিজিটাল মার্কেটিং এর মধ্যে পার্থক্য কি ?

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং একজন ব্যক্তি আসলে কি কারণে ডিজিটাল মার্কেটিং করবে। সে সম্পর্কে উপরে বিস্তারিত ভাবে আলোচনা করা হয়েছে।

তবে এখন অনেকের মনে একটি প্রশ্ন জেগে থাকবে যে। ডিজিটাল মার্কেটিং কি সে সম্পর্কে তো আমরা জানতে পারলাম। তবে এই ডিজিটাল মার্কেটিং ও ট্রাডিশনাল মার্কেটিং এর মধ্যে পার্থক্য কি।

তো আপনি যদি এই দুটো মার্কেটিং পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে আপনাকে নিচের আলোচিত আলোচনায় নজর রাখতে হবে।

দেখুন ট্রাডিশনাল মার্কেটিং মূলত সেইসব কার্যক্রম কে বলা হয়। যখন আপনি অনলাইন পদ্ধতিতে নয়, বরং আপনি টেলিভিশন, রেডিও, ব্যানার, পোস্টার এর মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্ট এর প্রচার করবেন।

যেমন ধরুন, আপনার কোন একটি প্রোডাক্ট রয়েছে। এবং আপনি সেটির মার্কেটিং করতে চান। এখন এই মার্কেটিং করার জন্য আপনি টেলিভিশন কে বেছে নিলেন।

আর টেলিভিশনের মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন প্রচার করলেন। মূলত এই পদ্ধতি কে বলা হয়ে থাকে, ট্রাডিশনাল মার্কেটিং।

একই ভাবে যখন আপনি পোস্টার অথবা রাস্তার পাশে ব্যানার, সংবাদপত্রের মাধ্যমে। আপনার প্রোডাক্ট এর পরিচিতি বৃদ্ধি করার জন্য বিজ্ঞাপন প্রচার করবেন।

মূলত এই বিজ্ঞাপন প্রচার করার পুরো প্রক্রিয়া কে বলা হয়ে থাকে ট্রাডিশনাল মার্কেটিং। তবে এখন হয়তোবা আপনি ভাবতে পারেন যে, ডিজিটাল মার্কেটিং এর সাথে ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এর পার্থক্য কি। তাহলে শুনুন……

যদি আমি এই দুটো মার্কেটিং প্রক্রিয়ার পার্থক্য তুলে ধরার চেষ্টা করি। তাহলে বলব যে, এই দুই প্রকার মার্কেটিং এর মধ্যে যে মূল পার্থক্য রয়েছে।

সেটি হল একটি অফলাইন পদ্ধতি এবং আরেকটি অনলাইন পদ্ধতি। যেমন ধরুন আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং করেন। তাহলে আপনাকে সম্পূর্ণ কাজ অনলাইন এর মাধ্যমে কাজ করতে হবে।

অপরদিকে আপনি যদি ট্রাডিশনাল মার্কেটিং করেন। সে ক্ষেত্রে আপনার কোন প্রকার অনলাইন এর প্রয়োজন হবে না।

যেমন ধরুন, আপনি যদি ফেসবুক, ইউটিউব অথবা ইনস্টাগ্রাম এর মতো প্লাটফর্মে আপনার প্রোডাক্টের প্রচার করেন। সে ক্ষেত্রে কিন্তু অবশ্যই আপনার ইন্টারনেট কানেকশন এর প্রয়োজন হবে।

এবং আপনার সেই বিজ্ঞাপন গুলো শুধুমাত্র তারাই দেখতে পারবে। যারা উক্ত প্ল্যাটফর্ম গুলো তে একটিভ থাকবে।

কিন্তু আপনি যদি ব্যানার অথবা পোস্টার টাঙ্গিয়ে প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন প্রচার করতে চান। সে ক্ষেত্রে আপনার কোন প্রকার ইন্টারনেট কানেকশন এর প্রয়োজন হবে না।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা ও অসুবিধা

আর্টিকেলের এই পর্যন্ত আপনি জানতে পেরেছেন যে, ডিজিটাল মার্কেটিং কি (digital marketing ki). এবং কেন আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং করা উচিত।

এর পাশাপাশি আমি আপনাকে ট্রেডিশনাল মার্কেটিং এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর মধ্যে যে পার্থক্য রয়েছে। সে পার্থক্য কে পরিষ্কার ভাবে বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেছি।

তবে এই সব বিষয়ে জানার পাশাপাশি আপনাকে জেনে নিতে হবে যে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা ও অসুবিধা গুলো কি কি।

কারণ যখন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন। তখন আপনি বেশ কিছু সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। আর এই সুবিধা গুলো ভোগ করার পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিং করার কিছু কিছু অসুবিধা রয়েছে।

যে সুবিধা এবং অসুবিধা গুলো সম্পর্কে জেনে নেয়া এটা আপনার জন্য অতি প্রয়োজনীয়। তাই চলুন এবার জেনে নেওয়া যাক যে, ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা গুলো কি কি। এবং ডিজিটাল মার্কেটিং এর অসুবিধা গুলো কি কি।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা (Digital marketing benefits)

দেখুন আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং করেন। সেক্ষেত্রে কিন্তু আপনি বিশেষ কিছু সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। আর একজন ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে অবশ্য আপনার এই সুবিধা গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া উচিত।

মূলত এই কারণে এবার আমি ডিজিটাল মার্কেটিং এর সুবিধা গুলো নিয়ে ধাপে ধাপে আলোচনা করব। চলুন এবার তাহলে সেই digital marketing benefits গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

  1. আপনি যদি ডিজিটাল মার্কেটিং করেন। তাহলে সবচেয়ে বড় যে সুবিধা টি ভোগ করতে পারবেন। সেটি হল, আপনি অনেক কম খরচে আপনার প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারবেন।
  2. মূলত আপনি যদি খুব দ্রুততার সাথে আপনার প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন প্রচার করতে চান। তাহলে আপনার জন্য অন্যতম এই পদ্ধতি হবে ডিজিটাল মার্কেটিং।
  3. যখন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন। তখন আপনার আর ঘরের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন পড়বে না। বরং আপনি নিজের ঘরে বসে কম্পিউটারের মাধ্যমে ডিজিটাল মার্কেটিং এর সকল কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।
  4. ডিজিটাল মার্কেটিং করার সময় আপনি আপনার কোম্পানি অথবা প্রোডাক্ট সম্পর্কিত একটি ব্র্যান্ড তৈরি করতে পারবেন।
  5. আপনার প্রোডাক্ট এর জন্য যেসব কাস্টমার রয়েছে। আপনি শুধুমাত্র সেই সব কাস্টমারদের নিকট ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারবেন।
  6. আপনার প্রোডাক্ট গুলো কোন বয়সের মানুষ ব্যবহার করে। শুধুমাত্র সেই বয়সের মানুষের নিকট প্রোডাক্ট এর পরিচিতি বাড়িয়ে নিতে পারবেন।
  7. যখন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন। তখন অনলাইনে থাকা বিভিন্ন মানুষ আপনাকে উক্ত প্রোডাক্ট কেনার জন্য অর্ডার করতে পারবে।
  8. আপনার যেসব টার্গেট করা কাস্টমার রয়েছে। আপনি অনলাইনের মাধ্যমে তাদের সাথে যোগাযোগ অক্ষুন্ন রাখতে পারবেন।

মূলত আপনি একজন ডিজিটাল মার্কেটার হিসেবে যখন ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন প্রচার করবেন।

তখন আপনি যে সুবিধা গুলো ভোগ করবেন। সেই সুবিধা গুলো নিয়ে উপরে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। চলুন এবার তাহলে ডিজিটাল মার্কেটিং এর অসুবিধা গুলো সম্পর্কে একটু ধারণা নেওয়া যাক।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর অসুবিধা

উপরের আলোচনায় ডিজিটাল মার্কেটিং এর বেশ কিছু সুবিধা সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। তবে এই সুবিধা গুলো পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিং করার বেশ কিছু অসুবিধা রয়েছে।

আর এই অসুবিধা গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া টা আপনার জন্য অতি প্রয়োজনীয়। কেননা যখন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন।

তখন এই মার্কেটিং সম্পর্কে আপনার বিস্তারিত ধারণা নিতে হবে। চলুন এবার তাহলে সেই ডিজিটাল মার্কেটিং এর অসুবিধা গুলো জেনে নেওয়া যাক।

ডিজিটাল মার্কেটিং করার সময় আপনি শুধুমাত্র আপনার প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন সেই সব মানুষদের নিকট পৌঁছাতে পারবেন। যারা শুধু অনলাইন এর বিভিন্ন রকম প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে।

যেমন ধরুন, আপনি যদি ফেসবুকের মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন প্রচার করেন। সেক্ষেত্রে আপনার প্রোডাক্ট এর পরিচিতি শুধুমাত্র সেই সব ব্যক্তিদের নিকট গিয়ে পৌঁছাবে।

যারা মূলত ফেসবুক ব্যবহার করে। কিন্তু এর বাইরে যে সব আলাদা সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম আছে। সেই ব্যক্তি গুলো আপনার উক্ত প্রোডাক্ট সম্পর্কে জানতে পারবে না।

যদিওবা ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে অনলাইনে আপনি আপনার প্রোডাক্ট অথবা কোম্পানির একটি ব্র্যান্ড তৈরি করতে পারবেন।

তবে এই ব্র্যান্ড তৈরি করার জন্য আপনাকে অনেকটা সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। কারণ অনলাইন প্লাটফর্মে মানুষ হুট করেই আপনার কোম্পানি কে বিশ্বাস করবে না।

রং এই বিশ্বাস অর্জন করার জন্য আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে তাদের সাথে সৎ ভাবে প্রোডাক্ট এর লেনদেন করতে হবে। আর ডিজিটাল মার্কেটিং করার সবচেয়ে বড় একটা অসুবিধা হলো। যে মানুষ গুলো এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করে না।

সেই মানুষ গুলো কোন ভাবেই আপনার উক্ত বিজ্ঞাপন দেখতে পারবে না। এবং তারা কোন ভাবেই আপনার প্রচার করা প্রোডাক্ট এর গুণাগুণ সম্পর্কে অবগত থাকতে পারবে না।

মার্কেটিং নিয়ে আপনি আরোও জানতে পারেন…

ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার ? (Types of Digital Marketing)

ডিজিটাল মার্কেটিং কাকে বলে আশা করি সে সম্পর্কে আপনার পরিষ্কার ধারণা চলে এসেছে। কারণ আর্টিকেলের শুরুতেই আমি আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে কি বুঝায় সে নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

এখন অনেকের মনে একটি প্রশ্ন জেগে থাকবে। আর সেই প্রশ্ন টি হল যে, ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার। চলুন এবার তাহলে types of digital marketing এই বিষয় টি সম্পর্কে একটু ধারণা নিয়ে যাক।

দেখুন বর্তমান সময়ে আপনি মোট দুই ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং দেখতে পারবেন। তার মধ্যে একটি হল অনলাইন ডিজিটাল মার্কেটিং এবং অপরটি হল অফলাইন ডিজিটাল মার্কেটিং

মূলত যখন আপনি অনলাইন কে কেন্দ্র করে আপনার প্রোডাক্টের মার্কেটিং করবেন। সেটি ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত।

এবং আপনি যদি অফলাইনে অর্থাৎ ব্যানার, পোস্টার কিংবা সংবাদপত্রে আপনার প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন প্রচার করেন। সেটিও ডিজিটাল মার্কেটিং এর অন্তর্ভুক্ত।

কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন ? (Digital marketing strategy)

digital marketing কি এবং ডিজিটাল মার্কেটিং কত প্রকার। তা নিয়ে উপরে যথেষ্ট আলোচনা করা হয়েছে। এবার আসা যাক মূল বিষয়ে অর্থাৎ আপনি যদি একজন নতুন ব্যক্তি হিসেবে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে চান।

তাহলে আপনি আসলে কোন কোন পদ্ধতি গুলো কে অনুসরণ করবেন। কেননা ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য আপনার সামনে অনেক গুলো উপায় চলে আসবে।

আর সেই মুহূর্তে আপনি বুঝতে পারবেন না যে। ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য কোন উপায় গুলো কে বেছে নেওয়া উচিত।

আর সে কারণে মূলত অনেকেই জানতে চায় যে, কিভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং করব। আর আপনি যদি এই বিষয় টি সম্পর্কে জানতে চান।

তাহলে নিচের আলোচিত আলোচনা গুলোতে নজর রাখুন। কারণ এবার আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করার চেষ্টা করব যে। একজন নতুন ব্যক্তি হিসেবে আপনি কোন কোন পদ্ধতি গুলো কে অনুসরণ করে ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারবেন।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)

যখন আপনি আপনার প্রোডাক্টের পরিচিতি বৃদ্ধি করার জন্য সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর কাজ করবেন। মূলত তাকে বলা হয়ে থাকে এসইও।

যেমন ধরুন, আপনি আপনার প্রোডাক্ট রিলেটেড একটি ওয়েবসাইট তৈরি করলেন। এখন এই ওয়েবসাইট কিন্তু মানুষ হুট করেই খুঁজে পাবে না।

বরং যখন আপনি সেই ওয়েবসাইটে সঠিক ভাবে এসইও করবেন। তখন google এ আপনার প্রোডাক্ট সম্পর্কিত কিছু লিখে সার্চ করার পর। সরাসরি আপনার ওয়েবসাইট টি সবার উপরে চলে আসবে।

গুগল এডওয়ার্ডস

যখন আপনি কোন একটি ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন। তখন দেখতে পারবেন যে, বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করছে।

মূলত এই ওয়েবসাইট এর মধ্যে বিজ্ঞাপন প্রচার করার জন্য জনপ্রিয় একটি ডিজিটাল মার্কেটিং প্লাটফর্ম এর নাম হল গুগল এড ওয়ার্ডস।

আর আপনি যদি এই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন প্রচার করতে চান। তাহলে আপনাকে উক্ত প্ল্যাটফর্ম কে অর্থ প্রদান করতে হবে।

এবং আপনি যত বেশি অর্থ প্রদান করবেন। উক্ত প্ল্যাটফর্ম টি তত বেশি মানুষের নিকট আপনার এই বিজ্ঞাপন টি প্রচার করবে।

সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং

মনে করুন, আপনি ফেসবুক ব্যবহার করছেন। এবং ফেসবুকে হঠাৎ করে একটি বিজ্ঞাপন দেখতে পেলেন। মূলত এই ধরনের সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্ম গুলো তে যখন কোন প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন প্রচার করা হয়।

তখন সেই প্রচার করার পুরো প্রক্রিয়া কে বলা হয়ে থাকে, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। তবে এই সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শুধুমাত্র ফেসবুকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

আপনি যখন twitter, instagram কিংবা পিন্টারেস্ট এর মত প্লাটফর্ম গুলো তে আপনার প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন প্রচার করবেন। তখন তাকে বলা হবে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং।

ইউটিউব মার্কেটিং

যখন আমরা ভিডিও কনটেন্ট দেখতে চাই। তখন আমরা ইউটিউব নামক জনপ্রিয় এই ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম এর মধ্যে প্রবেশ করি।

তবে এই প্লাটফর্মে ভিডিও দেখার সময় আমাদের কে বিভিন্ন প্রকার বিজ্ঞাপন দেখানো হয়। মূলত এই ধরনের বিজ্ঞাপন আপনিও তখনি দেখাতে পারবেন।

যখন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন। আর ইউটিউব এর মধ্যে আপনার প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং করার জন্য। অবশ্যই আপনাকে মনসম্মত ভিডিও কনটেন্ট এর সাহায্য বিজ্ঞাপন প্রচার করতে হবে।

কনটেন্ট মার্কেটিং

যদিওবা কন্টেন্ট মার্কেটিং নিয়ে আলাদা কিছু বলার প্রয়োজন পড়ে না। কারণ ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য অন্যতম একটি বিষয় হলো কনটেন্ট।

যেমন ধরুন, আপনি যদি ফেসবুকে বিজ্ঞাপন প্রচার করতে চান। তাহলে আপনি ভিডিও এ অথবা ইমেজ কন্টেন্ট এর মাধ্যমে প্রচার করতে পারবেন।

ঠিক একই ভাবে ইউটিউব প্লাটফর্মে ডিজিটাল মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে ভিডিও কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করতে হবে। তবে এই কন্টেন্ট গুলো অবশ্যই মানসম্মত হতে হবে, যেন কাস্টমারদের কাছে আপনার বিজ্ঞাপন অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়।

ইমেইল মার্কেটিং

আপনার যে প্রোডাক্ট রয়েছে সেই প্রোডাক্ট এর জন্য যেসব টার্গেট করা কাস্টমার রয়েছে। আপনি সেই কাস্টমারদের ব্যবহার করা ইমেইল একাউন্ট গুলো সংগ্রহ করবেন।

এবং ইমেইলের মাধ্যমে আপনি আপনার প্রোডাক্টের বিভিন্ন প্রকার বিজ্ঞাপন প্রচার করবেন। মূলত এই ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং করার প্রক্রিয়া কে বলা হয়ে থাকে ইমেল মার্কেটিং।

র এই মার্কেটিং করার পদ্ধতি টি বর্তমান সময়ে ব্যাপক পরিমাণে জনপ্রিয়তা রয়েছে। তাই চাইলে আপনিও এই পদ্ধতি অনুসরণ করে ডিজিটাল ডিজিটাল মার্কেটিং করতে পারবেন।

FAQS

উপরোক্ত আলোচনা থেকে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্য সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। তবে এর বাইরেও কিন্তু আমাদের মনের ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন রয়েছে।

আর আমি সেই প্রশ্ন গুলো কে একত্রে সংগ্রহ করেছি। এবং এবার আমি সেই প্রশ্ন গুলোর সঠিক উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব। চলুন তাহলে ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে সেই প্রশ্নের উত্তর গুলো সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

Q: ডিজিটাল মার্কেটিং কি কি শেখানো হয়?

A: যখন আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং শিখবেনম তখন আপনাকে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা দেয়া হবে। যেমন, আপনার প্রোডাক্ট এর জন্য টার্গেট করা কাস্টমারদের খুঁজে নেওয়া।

এবং সেই কাস্টমারদের নিকট আপনার প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন প্রচার করার জন্য যেসব কাজ করতে হয়। সেই সব গুলো কাজ মূলত ডিজিটাল মার্কেটিং এর সময় শেখানো হয়।

Q: ডিজিটাল মার্কেটিং ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব কি না?

A: এখন অনেকের মনে একটি প্রশ্ন জেগে থাকতে পারে যে। এই ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার পরে নিজের ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব কিনা।

তো যাদের মনে এই ধরনের প্রশ্ন জেগে থাকে। তাদের একটা কথা বলবো যে, আপনি যে কোন প্লাটফর্মে কাজ করুন না কেন। আপনি যদি উক্ত প্লাটফর্মে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিতে পারেন।

তাহলে আপনি এই প্লাটফর্ম কে কাজে লাগিয়ে নিজের ক্যারিয়ার গড়ে নিতে পারবেন। ঠিক তেমনি ভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনি একই বিষয় লক্ষ্য করতে পারবেন। 

Q: মোবাইল দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং করা যাবে কি?

A: ডিজিটাল মার্কেটিং এর সকল কাজ অনলাইন এর মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। আর মোবাইল দিয়ে বর্তমান সময়ে সকল প্রকার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলো তে ব্রাউজিং করা সম্ভব।

আর এই দিক থেকে বিবেচনা করে আমি নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি যে। আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ গুলো আপনার মোবাইল ফোন দিয়ে করতে পারবেন।

Q: Digital marketing শিখতে কত সময় লাগবে ?

A: সত্যি বলতে আপনার ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কত সময় লাগবে। সেটা কেউ স্পষ্ট করে বলতে পারবে না। কারণ আপনি এমন অনেক মানুষকে খুঁজে পাবেন।

যারা মূলত ছয় মাসের মধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং এর সকল বিষয় শিখে নিতে পারে। আবার এমন অনেক মানুষকে খুঁজে পাবেন। যাদের কমপক্ষে এক থেকে দুই বছর পর্যন্ত সময় লাগে।

তো আপনারা আসলে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতে কত বছর লাগবে। সেটা সম্পূর্ণ আপনার নিজের উপর নির্ভর করবে।

Q: ডিজিটাল মার্কেটিং করে আয় করার উপায় কি?

A: এখন অনেকেই হয়তোবা ভেবে থাকবেন যে, এই ডিজিটাল মার্কেটিং শেখার পর কিভাবে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করে আয় করবেন।

তো আপনি যদি এই বিষয় টি ভেবে থাকেন। তাহলে আমি আপনাকে ডিজিটাল মার্কেটিং থেকে আয় করার বেশ কিছু উপায় সম্পর্কে বলতে পারব।

যেমন প্রথমত আপনি কোন একটি কোম্পানির আন্ডারে কাজ করে। উক্ত কোম্পানির বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর প্রমোশন করার মাধ্যমে আয় করতে পারবেন।

এর পাশাপাশি আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোর্স সেল করে আয় করতে পারবেন। অথবা আপনি ফ্রিল্যান্সিং প্লাটফর্মে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং সার্ভিস প্রদান করে আয় করতে পারবেন।

Q: ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ইন্টারনেট মার্কেটিং কি একি ?

A: ডিজিটাল মার্কেটিং এবং ইন্টারনেট মার্কেটিং এ দুটোর মধ্যে খুব বেশি একটা পার্থক্য নেই। বরং দুটোই কিন্তু অনলাইনের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়ে থাকে।

অর্থাৎ আপনি যখন ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন। তখন আপনার ইন্টারনেট এর প্রয়োজন পড়বে। ঠিক তেমনি ভাবে ইন্টারনেট মার্কেটিং করার জন্য ইন্টারনেট এর প্রয়োজন হবে।

তো এই দুটোই হলো একই বিষয়।

ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে আমাদের শেষ কথা

প্রিয় পাঠক, আমাদের মধ্যে যারা ডিজিটাল মার্কেটিং কি সে সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানতে চায়। তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলটি অনেক প্রয়োজনীয়।

কারণ আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে আমি খুব সহজভাবে বুঝিয়ে দেয়ার চেষ্টা করেছি, যে ডিজিটাল মার্কেটিং কি।

এবং কিভাবে আপনি ডিজিটাল মার্কেটিং করবেন। তো আপনি যদি এই আর্টিকেল টি মনোযোগ দিয়ে পড়ে থাকেন তাহলে ডিজিটাল মার্কেটিং শিখুন।

তবে আমার দীর্ঘ বিশ্বাস রয়েছে যে, এরপর থেকে আপনার মনে আর ডিজিটাল মার্কেটিং নিয়ে কোন প্রকার প্রশ্নের অবকাশ থাকবে না।

আর আপনি যদি এই ধরনের মার্কেটিং রিলেটেড অজানা তথ্য সহজ ভাবে জেনে নিতে চান। তাহলে অবশ্যই আমাদের সাথে থাকার চেষ্টা করবেন।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top