ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে?

Documents for correct voter ID card: আমরা সকলে জানি যে, ভোটার আইডি কার্ড হল আমাদের প্রত্যেক টা নাগরিক এর জন্য প্রয়োজনীয় একটি ডকুমেন্টস।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে?
ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে?

আর যদি কোন কারণে আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর মধ্যে ভুল তথ্য থাকে। তাহলে অবশ্যই আপনাকে সেটি সংশোধন করে নিতে হবে।

কিন্তু যখন আপনি ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করবেন। তখন আপনার বেশ কিছু কাগজ পত্র প্রদান করতে হবে।

আর ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে থাকা কোন ধরনের তথ্য সংশোধন করার জন্য কি কি লাগবে। আজ আমি আপনাকে সে গুলো ধাপে ধাপে দেখিয়ে দিব।

তো চলুন, সরাসরি জেনে নেওয়া যাক ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে।

Table of Contents

কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করা যায়?

আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছেন। যারা মূলত ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করার বিষয়টি কে খুব কঠিন মনে করেন।

আপনি আরোও জানতে পারেন…

আসলে আপনি যতটা কঠিন মনে করেন, বিষয় টা কিন্তু এতটা কঠিন নয়। বরং আপনি মাত্র কয়েক টি পদ্ধতি অনুসরণ করে, খুব সহজেই আপনার ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে থাকা ভুল তথ্য সংশোধন করে নিতে পারবেন। 

আর বর্তমান সময়ে আপনি যদি ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে চান। তাহলে আপনাকে নিচে দেখানো পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করতে হবে। যেমন, 

  1. আপনি যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে থাকা তথ্য সংশোধন করতে চান। তাহলে সবার আগে আপনাকে আবেদন করতে হবে।
  2. আর এই আবেদন করার কাজটি আপনি নির্বাচন কমিশন এর মূল ওয়েবসাইটে গিয়ে করতে পারবেন।
  3. আর যখন আপনি উক্ত ওয়েবসাইটে প্রথমবার প্রবেশ করবেন। তখন আপনাকে একটি অ্যাকাউন্ট তৈরি করতে হবে। অর্থাৎ আপনাকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
  4. এরপর আপনি আপনার যে তথ্য গুলো সংশোধন করতে চান। সেই তথ্য গুলো এখান থেকেই করতে পারবেন।
  5. তবে তথ্য সংশোধন করার জন্য যে নির্ধারিত ফি রয়েছে, সেটি আপনাকে প্রদান করতে হবে।
  6. এবং এই তথ্য সংশোধন করার জন্য আপনার যে সকল ডকুমেন্ট এর প্রয়োজন হবে সে গুলো নিচের তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

আপনি যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে চান। তাহলে আপনাকে কোন কোন পদ্ধতি গুলো অনুসরণ করতে হবে তা উপরে সংক্ষিপ্ত আকারে উল্লেখ করা হলো।

তবে এই তথ্য সংশোধন করার জন্য আপনার যে সকল প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রের দরকার হবে। সে গুলো জানতে নিচের আলোচনায় নজর রাখুন।

ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে?

আপনি যখন ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে থাকা কোন ভুল তথ্য সংশোধন করবেন। তখন সেই ভুল তথ্য সংশোধন করার জন্য আপনাকে বেশ কিছু প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রদান করতে হবে।

আর আপনি সেই ডকুমেন্ট গুলো প্রদান করার মাধ্যমে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করে নিতে পারবেন। 

তবে এখানে একটা কথা বলে রাখা উচিত। আর সেই কথাটি হল, জাতীয় পরিচয় পত্র এর তথ্য সংশোধন করার জন্য নির্দিষ্ট ডকুমেন্টসের প্রয়োজন হয়।

এবং কোন তথ্য সংশোধন করার জন্য কোন কাগজপত্র লাগবে। সে গুলো নিচের আলোচনায় ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হলো।

নিজ নামের বানান ও আংশিক পরিবর্তন

অনেক সময় আমাদের ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে নিজের নামের বানান কিংবা নামের আংশিক অংশ ভুল থাকে। তো আপনি যদি এই ভুল তথ্য টি সংশোধন করতে চান।

তাহলে আপনার যে সকল কাগজ পত্র লাগবে। সে গুলো নিচে দেওয়া হল। যেমন,  

  1. আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ,
  2. পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে),
  3. সন্তানদের জন্ম সনদ/সার্টিফিকেট (যদি থাকে),
  4. কাবিননামা/বৈবাহিক সনদের কপি (বিবাহিতদের ক্ষেত্রে),
  5. স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের কপি (বিবাহিতদের ক্ষেত্রে),
  6. ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে),
  7. অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি,

বিভিন্ন সময় আমাদের নিজের নাম এর বানান কিংবা নামের ক্ষেত্রে আংশিক পরিবর্তন করার দরকার হয়। আর সে সময় আপনার যে সকল প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস প্রদান করতে হবে।

সেই ডকুমেন্ট গুলোর তালিকা উপরে দেওয়া হয়েছে।

বাংলা নাম অনুসারে ইংরেজি বা ইংরেজি নাম অনুসারে বাংলা করা

অনেক সময় আমরা আমাদের ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে থাকা বাংলা নাম অনুসারে ইংরেজি বা ইংরেজি নাম অনুসারে বাংলা করতে চাই।

সেক্ষেত্রে আপনার যে সকল ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে, সে গুলো নিচে দেওয়া হল যেমন,

  1. অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি,
  2. পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে),
  3. আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ,
  4. ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে),
  5. স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডেরর্ডে কপি (বিবাহিতদের ক্ষেত্রে),
  6. সন্তানদের জন্ম সনদ/সার্টিফিকেট এর কপি (যদি থাকে),
  7. কাবিননামা/বৈবাহিক সনদের কপি (বিবাহিতদের ক্ষেত্রে),

ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে থাকা বাংলা নাম অনুসারে ইংরেজি কিংবা ইংরেজি নাম অনুসারে বাংলা করার জন্য যে সকল ডকুমেন্টস এর দরকার হয়। সে গুলো উপরে উল্লেখ করা হয়েছে।

নিজের নাম সম্পূর্ণ পরিবর্তন

যদি কোন কারনে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে থাকা পুরো নামটাই পরিবর্তন করার দরকার হয়। তাহলে আপনার নিকট যে সকল ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে। সে গুলোর নিচে দেওয়া হল। যেমন,

  1. আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ,
  2. জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে সম্পাদিত হলফনামা,
  3. স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডেরর্ডে কপি (বিবাহিতদের ক্ষেত্রে),
  4. কাবিননামা/বৈবাহিক সনদের কপি (বিবাহিতদের ক্ষেত্রে),
  5. ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে),
  6. পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে),
  7. অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি,
  8. সন্তানদের জন্ম সনদ/সার্টিফিকেট,

ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে থাকা পুরো নামটি সংশোধন করার জন্য। যে সকল কাগজপত্র এর প্রয়োজন হবে, সে গুলো উপরে দেওয়া হয়েছে।

ছবি, স্বাক্ষর, আঙ্গুলের ছাপ ও আইরিশ পরিবর্তন

কোন কারণে যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে থাকা ছবি, স্বাক্ষর বা আঙুলের ছাপ কিংবা আইরিশ পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়।

তাহলে আপনার খুব বেশি ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে না। তবে আপনি নিচের ডকুমেন্ট গুলোর মাধ্যমে আপনার ভোটার আইডি কার্ডের বায়োমেট্রিক তথ্য  পরিবর্তন করে নিতে পারবেন। যেমন, 

  1. আপনাকে উপজেলা কিংবা থানা নির্বাচন অফিসারের কাছ থেকে প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ করতে হবে।
  2. আর সেই প্রত্যয়ন পত্র আপনি তখনই পাবেন, যখন আপনি ফিঙ্গার প্রিন্ট স্ক্যানারের সাহায্য সেন্ট্রাল সার্ভারে আপনার যে সকল বায়োমেট্রিক ডকুমেন্টস আছে। সে গুলোর সাথে ম্যাচিং থাকবে।

আর যখন আপনি এই যাবতীয় তথ্য গুলো দিয়ে আবেদন করবেন। তখন আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে থাকা ছবি, স্বাক্ষর, আঙ্গুলের ছাপ কিংবা আইরিশ সংশোধন করতে পারবেন।

পিতা-মাতার নাম পরিবর্তন

কখনো যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে পিতা অথবা মাতার নাম ভুল আসে। এবং আপনি যদি ভোটার আইডি কার্ডের পিতা, মাতার নাম সংশোধন করতে চান।

তাহলে আপনার নিচের ডকুমেন্টস গুলোর প্রয়োজন হবে। যেমন, 

শুধুমাত্র পিতা মাতার নামের পদবির ক্ষেত্রে 

  1. সকল ভাই বোনের আইডি কার্ডের কপি এবং শিক্ষা সনদের কপি,
  2. অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি,
  3. আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ,
  4. পিতা ও মাতার আইডি কার্ডের কপি,
  5. পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে),
  6. ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে),

পিতা মাতার নামের আংশিক পরিবর্তন

  1. সকল ভাই বোনের আইডি কার্ডেরর্ডে কপি এবং শিক্ষা সনদের কপি,
  2. অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি,
  3. আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ,
  4. পিতা ও মাতার আইডি কার্ডের কপি,
  5. ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে),
  6. পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে),

পিতা মাতার পুরো নাম সংশোধন

  1. আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ (যার ক্ষেত্রে যেটি প্রযোজ্য),
  2. পিতার/মাতার নামীয় ট্যাক্স/পৌর করের রশিদ,
  3. পিতা ও মাতার আইডি কার্ডেরর্ডে কপি,
  4. সকল ভাই বোনের আইডি কার্ডের কপি এবং শিক্ষা সনদের কপি,
  5. অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি,
  6. পিতার/মাতার নামীয় বিদ্যুৎ বিলের কপি,
  7. ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে),
  8. পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে),

যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে থাকা পিতা ও মাতার নাম সংশোধন করার দরকার হয়। তাহলে আপনার কোন কোন ক্ষেত্রে কি কি ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে। তার তালিকা উপরে উল্লেখ করা হলো। 

আপনি আরোও পড়তে পারেন…

স্বামী-স্ত্রীর নাম আংশিক সংশোধন

কোন কারনে যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর মধ্যে স্বামী অথবা স্ত্রীর আংশিক নাম সংশোধন করার দরকার হয়। তাহলে আপনার নিম্নোক্ত ডকুমেন্টসের প্রয়োজন পড়বে। যেমন,

  1. সন্তানদের এনআইডি কার্ড/র্ডজন্ম সনদ,
  2. স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের কপি,
  3. কাবিননামা/বৈবাহিক সনদের কপি,
  4. সন্তানদের শিক্ষা সনদের কপি,

অনেক সময় দেখা যায় যে, একজন ব্যক্তি প্রথম বিয়ে করার পরে তালাক হয়। এবং পরবর্তী সময়ে দ্বিতীয় বিয়ে করে।

এবং সেক্ষেত্রে এই ধরনের সংশোধন করার জন্য আপনার যে সকল ডকুমেন্টস এর প্রয়োজন হবে। সে গুলো নিচে উল্লেখ করা হলো, 

  1. প্রথম স্বামী/স্ত্রীর তালাকনামা/মৃত্যু সনদ,
  2. দ্বিতীয় বার বিবাহের কাবিননামা/বৈবাহিক সনদ,
  3. দ্বিতীয় স্বামী/স্ত্রীর আইডি কার্ডের কপি,

তো উপরের তালিকা তে আপনি বেশ কিছু ডকুমেন্টস এর লিস্ট দেখতে পাচ্ছেন। তো যদি কোন কারনে আপনার স্বামী, স্ত্রীর নাম সংশোধন করার দরকার হয়। তাহলে আপনাকে অবশ্যই এই ডকুমেন্ট গুলো প্রদান করতে হবে।

ভোটার আইডি কার্ডে জন্ম তারিখ সংশোধন করতে কি কি লাগে?

আমরা সকলে জানি যে, আমাদের ভোটার আইডি কার্ডের মধ্যে জন্ম তারিখ উল্লেখ করা থাকে। আর যদি কোনো কারণে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রে জন্ম তারিখ ভুল হয়।

তাহলে কিন্তু আপনাকে অতি দ্রুত সেই ভুল সংশোধন করে নিতে হবে। আর আপনি যদি এই তথ্য সংশোধন করতে চান। তাহলে আপনার বেশ কিছু ডকুমেন্টস প্রয়োজন পড়বে। সে গুলো হল, 

  1. পেনশন/অবসর বইয়ের কপি (অবসর প্রাপ্তদের জন্য),
  2. অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি,
  3. সকল ভাই বোনের আইডি কার্ডের কপি,
  4. কাবিননামা/বৈবাহিক সনদের কপি (যদি থাকে),
  5. সকল ভাই বোনের এনআইডি নম্বর উল্লেখিত পিতার উত্তরাধিকার/ওয়ারেশ সনদ,
  6. আবেদনকারীর পিএসসি/জেএসসি/এসএসসি পরীক্ষার সনদ (ক্ষেত্র প্রযোজ্য),
  7. পাসপোর্টের কপি (যদি থাকে),
  8. অফিস স্মারকে উর্ধ্বতনর্ধ্ব কর্তপক্ষের প্রত্যয়নপত্র,
  9. ড্রাইভিং লাইসেন্স এর কপি (যদি থাকে),
  10. সিভিল সার্জন কর্তৃকর্তৃ বয়স প্রমাণের রিপোর্ট,
  11. চাকরির আইডি কার্ডের কপি,
  12. মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে মুক্তিযোদ্ধার সনদ এবং মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রাপ্ত বিভিন্ন ভাতাদি প্রাপ্তির প্রমাণপত্র,

যদি কোন কারণে আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর মধ্যে জন্ম তারিখ ভুল হয়। তাহলে সেই ভুল তথ্য সংশোধন করার জন্য আপনার নিকট যে সকল ডকুমেন্টস দরকার হবে। সে গুলো উপরের তালিকা তে  উল্লেখ করা হলো।

ভোটার আইডি কার্ডে ঠিকানা সংশোধন

প্রতিটা ভোটার আইডি কার্ড এর মধ্যে ঠিকানা উল্লেখ করা থাকে। আর আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর মধ্যে যদি ঠিকানা ভুল হয়।

তাহলে আপনি সংশোধন করে নিতে পারবেন। তবে তার জন্য আপনাকে নিচের ডকুমেন্ট গুলো প্রদান করতে হবে।

  1. সিটি কর্পোরের্পোরেশন/পৌরসভা/ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কর্তৃকর্তৃ প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র,
  2. চৌকিদারী ট্যাক্স/পৌর করের রশিদ,
  3. বিদ্যুৎ বিলের কপি,
  4. অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদের কপি,

আপনি যখন উপরের ডকুমেন্ট গুলো দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড এর ঠিকানা সংশোধন করার আবেদন করবেন। তখন আপনি খুব সহজেই আপনার ভুল ঠিকানা থাকা ভোটার আইডি কার্ড পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ডে জন্মস্থান সংশোধন

কোনো কারণে যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর মধ্যে থাকা জন্মস্থান পরিবর্তন করে নিতে চান। তাহলে আপনার নিকট যে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এর দরকার হবে। সেই প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এর তালিকা টি নিচে দেওয়া হলো। যেমন, 

  1. জন্ম নিবন্ধন সনদ,
  2. ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা কাউন্সিল এর কাছ থেকে প্রত্যয়নপত্র,
  3. নাগরিকত্বের সনদ,

তো যদি আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর জন্মস্থান সংশোধন করতে চান। তাহলে আপনার উপরে উল্লেখিত ডকুমেন্টস এর দরকার হবে।

ভোটার আইডি কার্ডে পেশা পরিবর্তন

জাতীয় পরিচয় পত্র এর মধ্যে থাকা পেশা পরিবর্তন করার জন্য খুব বেশি ডকুমেন্টস এর দরকার হয়না। বরং এই তথ্য গুলো সংশোধন করার জন্য যে সকল ডকুমেন্টস দরকার হয়। সে গুলো নিচে দেওয়া হলো। যেমন, 

  1. নিয়োগপত্র,
  2. পেশা ভিত্তিক সনদ;
  3. সিটি কর্পোরেশন/ পৌরসভা/ ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক প্রদত্ত সনদ,
  4. অন্যান্য প্রমাণপত্র,

উপরের এই ডকুমেন্টস গুলো দিয়ে আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর মধ্যে থাকা পেশা পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।

ভোটার আইডি কার্ডে বৈবাহিক অবস্থা পরিবর্তন

কোনো কারণে যদি আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর থাকা বৈবাহিক অবস্থার পরিবর্তন করে নিতে চান। তাহলে আপনার নিকট বেশ কিছু ডকুমেন্টস থাকতে হবে। আর সেই প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস গুলো হলো, 

  1. হিন্দু ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিবাহ রেজিস্ট্রেশন না হয়ে থাকলে। উভয় পক্ষ কর্তৃক প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের এফিডেভিট,
  2. সন্তানদের পাবলিক পরীক্ষার সনদ,
  3. বিবাহ বিচ্ছেদ রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট,
  4. সন্তানদের জাতীয় পরিচয়পত্র, নতুবা সন্তানদের জন্ম নিবন্ধন এর কপি, 
  5. স্বামী/স্ত্রীর মৃত্যুর সনদ (যদি থাকে),
  6. অন্যান্য প্রমাণ,
  7. বিবাহের কাবিন নামা,

আপনি যদি আপনার ভোটার আইডি কার্ড এর মধ্যে থাকা বৈবাহিক অবস্থার পরিবর্তন করতে চান। তাহলে আপনার উপরে উল্লেখ করা ডকুমেন্টস গুলোর প্রয়োজন হবে।

আপনার জন্য আরোও আছে…

আমাদের শেষকথা

যারা ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে কি কি লাগে সে সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। তাদের জন্য উপরে বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংশোধনের প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস গুলোর তালিকা প্রদান করা হয়েছে।

আর আপনি যদি এই ধরনের অজানা তথ্য গুলো সম্পর্কে জানতে চান। তাহলে আমাদের সাথে থাকবেন। ধন্যবাদ। 

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top